সঞ্চালনায় ছিলেন, এ্যাড. মোঃ তৌহিদুর রহমান, সভাপতি, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, নীলফামারী শহর ও সেক্রেটারি, নীলফামারী জেলা।
সভাপতিত্ব করেন, মোঃ নুরল ইসলাম, সভাপতি, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, নীলফামারী সদর।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মোঃ হারুনার রশিদ, কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন। তিনি বলেন, দেশ গঠনে শ্রমিকদের দায়িত্ব অনেক বেশি। দেশকে অর্থনৈতিকভাবে উন্নতি ও গতিশীল করতে হলে শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী নির্বাচনে দেশকে দুর্নীতি মুক্ত জাতি গঠনে জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনতে হবে। দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য সৎলোকের শাসন ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি নীলফামারীবাসীর কাছে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট চেয়ে বক্তব্য শেষ করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,
মাওলানা অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুস সাত্তার, আমীর, বাংলদেশ জামায়াতে ইসলামী নীলফামারী জেলা শাখা। ড. মোঃ খায়রুল আনাম, জেলা নায়েবে আমীর, নীলফামারী। মাওলানা মোঃ আন্তাজুল ইসলাম, জেলা সেক্রেটারি, বাংলদেশ জামায়াতে ইসলামী নীলফামারী জেলা শাখা। এ্যাড. আলফারুক আব্দুল লতিফ, জেলা সহকারী সেক্রেটারি ও সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী নীলফামারী-২ আসন ও সভাপতি জেলা আইনজীবী সমিতি, নীলফামারী। অধ্যাপক মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম, জেলা সহকারী সেক্রেটারি নীলফামারী জেলা ও শহর আমীর নীলফামারী।বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মনিরুজ্জামান মন্টু, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, নীলফামারী জেলা। মোঃ মনিরুজ্জামান জুয়েল, সভাপতি, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, নীলফামারী জেলা।
মাওলানা আবু হানিফা শাহ্, আমীর, বাংলদেশ জামায়াতে ইসলামী, নীলফামারী সদর। মোঃ হামিদুল ইসলাম, সেক্রেটারি, বাংলদেশ জামায়াতে ইসলামী, নীলফামারী সদর। এ্যাড. মোঃ আনিছুর রহমান আজাদ, সেক্রেটারি, বাংলদেশ জামায়াতে ইসলামী, নীলফামারী সদর।
বক্তারা বলেন, দেশের প্রতিটি কাজে, প্রতিটি সেক্টরে শ্রমিকরা অবহেলিত। উত্তরা ইপিজেডসহ বিভিন্ন কলকারখানায় শ্রমিকরা অনেক ক্ষেত্রে অবহেলিত। নীলফামারীতে জামায়াতে ইসলামীকে জয়যুক্ত করতে পারলে শ্রমিকের উপর যে বৈষম্য করা হয় তাহার অবসান করা হবে বলে ব্যক্ত করেন। বক্তারা আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এ্যাড. আলফারুক আব্দুল লতিফকে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিলে নীলফামারী হবে একটি আধুনিক ও দুর্নীতি মুক্ত শহর।
নীলফামারী শহরকে উন্নতি ও দুর্নীতিমুক্ত করতে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দেয়ার আহ্বান জানানো হয়। সমাবেশ শেষে জেরা আমীর ও নীলফামারী-২ আসনের প্রার্থীর নেতৃত্বে একটি বিশাল মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ট্রাফিক মোড়ে এসে মিলিত হয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করেন।