অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রী সূত্রে জানা যায়, রবিবার ( ৯ নভেম্বর ) বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণী কক্ষে তাওহীদকে চুল কাটার অভিযোগ তুলে শরীরের বিভিন্ন স্হানে বেত দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করেন। সোমবারবার সকালে
দুবলিয়া স্কুলে শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিকরা গেলে শিক্ষক জিল্লাল হোসেন নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করার সত্যতা পাওয়া যায়। ওই ছাত্রের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
আহত শিক্ষার্থীর অভিভাবক মা মুক্তা আক্তার বলেন, রবিবার বিকালে বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে পরে ঘটনা সম্পর্কে জানতে পারে। পরিবারের সদস্যরা রাত্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে নিয়ে যায়। চুল একটু বড় রাখার জন্য আমার ছেলের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম দেখে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। বাবা বাবুল হোসেন বলেন, আমার সন্তানের এই ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের করে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা গ্রহনের দাবি জানায়।
ঘটনার বিষয়ে শিক্ষক জিলাল হোসেনের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন চুল না কাটার জন্য আঘাত করেছেন। এবং ওই শিক্ষক বাকি শিক্ষকদের নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মার মুখে আচরণ করে।
পরিবার এবং ছাত্র-ছাত্রীদের অভিযোগ সহকারী শিক্ষক জিলাল উদ্দিন প্রতিনিয়তই ছাত্রছাত্রীদেরকে বেধড়ক মারপিট করেন। এবং কথায় কথায় ক্লাস থেকে বের করে দেন। এমনও শোনা যায় ওই শিক্ষক বিদ্যালয়ের পাঠদানে অনিয়ম, সময়মতো পাঠদান না করা ও বিদ্যালয়ের দায়িত্বে অবহেলা করা।শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়েছে, বিদ্যালয়ের শ্রেণি‑সময়ে ওই শিক্ষক দূরে পাশের ইউনিয়নে মসজিদে ইমামতির দায়িত্ব নিয়েছেন। এতে নির্ধারিত শ্রেণিপাঠ ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিভাবকরা শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষক‑দায়িত্বে অবহেলার বিষয়ে উদ্বিগ্ন।
এই বিষয়ে শিক্ষার্থীর অভিভাবক মা মুক্তা আক্তার বাদী হয়ে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেয়।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হাফিজুর রহমান বলেন, আমি লিখিত একটি অভিযোগ পেয়েছি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।