দীর্ঘদিন চিকিৎসার পরেও তার শারীরিক অবস্থা ক্রমেই সংকটময় হয়ে উঠেছে। তার স্বামী বহুবছর পূর্বে মৃত্যু বরন করেন।দীর্ঘ বছর স্বামী মৃত্যু বরন করলেও এখন পর্যন্ত পাননি বিধবা ভাতার কার্ড। একটি মাত্র কন্যা, বিবাহিত। অসহায় কষ্টও সীমাহীন। দীর্ঘদিন ধরে লিভার রোগে আক্রান্ত তিনি নিজের চিকিৎসার জন্য সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করছেন।
অভিরোন বিবির জীবনটা শুরু থেকে কষ্টের। স্বামীর মৃত্যুর পরে একটি মাত্র কন্যাকে বড় করার জন্য দিনমুজিরীর কাজ শুরু করে। অনেক কষ্ট করে মেয়েকে বড় করে বিয়ে দেন। অন্যের বাড়িতে কাজ করে কোন ভাবে তার জীবন অতিবাহিত হচ্ছিল। হঠাৎ অভিরোন বিবি অসুস্থ হয়ে পড়ে অসহায় হয়ে পড়েন।
পরে অভিজ্ঞ ডাক্তার দেখিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ধরা পড়ে যে, তার লিভারে ক্যান্সারের জটিল রোগ। চিকিৎসার জন্য অভিরোন বিবিকে বহু থেরাপি নিতে হবে, যার খরচ প্রতি থেরাপি প্রায় ৫০ হাজার টাকা। পুরো চিকিৎসার জন্য প্রায় চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা প্রয়োজন। অভিরোন বিবির উন্নত চিকিৎসা করার জন্য কোন অর্থ সম্পদ নাই।
অর্থাভাবে চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেছে। ১/২ দিনের ভিতরে থেরাপি না দিলে তার বেঁচে থাকা অসম্ভব হতে পারে। অভিরোন বিবি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন , আমার স্বামী দীর্ঘ বছর মৃত্যু বরন করলেও বেশ কয়েকবার অনলাইনে আবেদন করে এখন পর্যন্ত বিধবা ভাতার কার্ডটি পেলাম না। বর্তমানে আমি মরনব্যাথি লিভার ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত।
এ সময় তিনি শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট বিধবা ভাতার কার্ড ও উন্নত চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা পাওয়ার জন্য আবেদন জানান। সমাজের দানশীল, সমাজ সেবক , স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে সাহায্যের আবেদন যাতে তিনি বিবি বাঁচতে পারেন।
এ বিষয়ে রমজাননগর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ আল মামুন বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে যতটুকু পারি আর্থিক সহযোগিতা করব এবং তার বিধবা ভাতার কার্ডটি পাওয়ার জন্য সার্বিক সহযোগিতা করব। অভিরোনের সাথে যোগাযোগ মোবাইল নং – ০১৯১১১৭৭০৩৮ , সাহায্যে পাঠানোর বিকাশ নং – ০১৩০৯৬৯৪৯০৪।