নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় চার তলার ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে ছাত্রদলের সাবেক এক নেতাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে ভর্তি করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় মামলা না হলেও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) দিবাগত রাতে ফতুল্লার পাগলা চিতাশাল এলাকায় ১ নম্বর গলিতে কবির মাস্টারের ভাড়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ওই নেতার নাম আরাফাত হোসেন মামুন। তিনি জেলা ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কবির মাস্টারের ভাড়া বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে মফিজ (৪০) নামের এক সন্ত্রাসী তার দলবল নিয়ে এক নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। বিষয়টি জানতে পেরে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আরাফাত হোসেন মামুন ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে মফিজকে ধর্ষণে বাধা দেয়।
এ সময় মফিজ তার দলবল নিয়ে মামুনকে এলোপাথাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে চার তলার ছাদে নিয়ে তাকে নিচে ফেলে দেয়। তখন আশপাশের লোকজন মামুনকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনার পর অভিযুক্ত মফিজ পলাতক থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। বাসার মালিক কবির মাস্টারের বক্তব্য জানতে তার ব্যবহৃত মোবাইলফোনে বারবার কল দিলেও বন্ধ পাওয়া যায়।
ভুক্তভোগী মামুনের পরিবার জানিয়েছেন, মামুনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সে সুস্থ হলে থানায় মামলা করা হবে। ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।