জামালপুর জেলা সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সামনে সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে থাকে। পুরো বর্ষার মৌসুমে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস চত্বর হাটু পানিতে সয়লাভ করে। ফলে প্রতিনিয়ত যাতায়াতে চরম ভোগান্তিতে স্বীকার হয়ে থাকেন কর্মকর্তা/কর্মচারীসহ সেবাদাতা ও গ্রহীতারা। তাছাড়া মাসের পর মাস দীর্ঘদিন জলাবদ্বতার কারণে পচাপানি কর্দমাক্ত হয়ে দূগন্ধে ছড়ায়। বেশীর ভাগ অতিরিক্ত যাতায়াত কারিদের চর্মাপিরা দেখা দেয়।
০৬জুলাই(সোমবার)সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস চত্বর হাটু পানির উপরে সয়লাভ করছে। মেইন রোড় থেকে প্রায় ৬০-৮০ ফুট জলাবদ্ধতা পাড়ি দিয়ে অফিসের কর্মকর্তা/কর্মচারীসহ সেবাদাতা ও গ্রহীতারা যাতায়াত করছেন।অফিস চত্ত্বরের সামনে যদিও পৌর শহরের ড্রেনেজ ব্যাবস্থা রয়েছে। কিন্তু সেই ড্রেনেজ গভীররতার চেয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস চত্ত্বরের গভীরতা বেশী। ফলে অপরিকপিতø ড্রেনেজ ব্যবস্থার পানি নিষ্কাশনের কোন সুয়োগ নেই। এদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়,অফিসে নীচতলা শেত শেতে দূর্গন্ধযুক্ত যেন বসবাসের অনুপযোগি। উপরতলা জেলা শিক্ষা অফিসারের টেবিল চেয়ার মান্ধাতার আমলের ভাঙ্গা,অফিসের অন্যান্য রোমে আসবাবপত্র বেশীর ভাগ নষ্ট হয়েগেছে।কর্মকর্তা/কর্মচারীদের অতিকষ্ট হলেও তারা দিয়ে যাচ্ছেন।
এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো.আলী আহসান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ছুটিরদিন ছাড়া প্রতিদিনই জলকাদা মাড়িয়েই আমাদের অফিসে আসতে হচ্ছে। কিন্তু কি করবো,উপায় নেই। যেহেতু আমাদের শিক্ষা অফিস নির্মাণ হয়েছে বহু আগে। তিনি আরো বলেন, জেলা শিক্ষা অফিসের সামনে রাস্তা উচু করা হয়েছে। দুই সাইড সহ শিক্ষা প্রকৌশলী অফিস এমনকি জেলা কারাগারে মাটি কেটে উচু করার কারণে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস চত্ত্বর সামান্য বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে জলাবব্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। পরিত্রানের উপায় সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন,দীঘ দিনের পুরাতন বিল্ডং ভেঙ্গে উঁচু করে নতুন বিল্ডিং নির্মাণ ছাড়া আর অন্য কোন উপায় নেই বলে জানান।
এ বিষয়ে জামালপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুর জামান তালুকদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস অনেক পুরোনো। শিক্ষা অফিসের চারপাশ্বে রাস্তাঘাটসহ নতুন বিল্ডিং উঁচু করে করায় চত্ত্বরটি সবচেয়ে নীচু তাই পানি নিষ্কাশন হচ্ছে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)জিন্নাত শহিদ পিংকি বলেন, পৌরসভার ড্রেন বন্ধ থাকায় পানি নিষ্কাশন হচ্ছে না। পৌর কর্তৃপক্ষ বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জনান তিনি।