শমী কায়সারের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ দুদকের অনুসন্ধান শুরু
স্পষ্টবাদী ডেস্ক
/ ৪২
Time View
Update :
বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫
Share
শমী কায়সারের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ দুদকের অনুসন্ধান শুরু
আলোচিত অভিনেত্রী শমী কায়সারের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)
শাহজালাল বিমানবন্দরে দোকান বরাদ্দ, বিজ্ঞাপনের জন্য বিলবোর্ড স্থাপনসহ নানা অনিয়মের ঘটনায় তথ্য চেয়ে সিভিল এভিয়েশন অথরিটিকে চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি।
অভিযোগে বলা হয়েছে, বিমানবন্দরে শমী কায়সারের প্রতিষ্ঠান ‘ধানসিঁড়ি কমিউনিকেশন’ ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, ডিজিটাল ব্যানারসহ নানা কাজের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে। একইসঙ্গে বরাদ্দের ক্ষেত্রেও অনিয়ম খতিয়ে দেখছে দুদক।
বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিগত আওয়ামী লীগ শাসনামলে তাদের আশীর্বাদপুষ্টদেরই বিমানবন্দরের বিজ্ঞাপনের জন্য বিলবোর্ড, লাউঞ্জ ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ দেওয়া হতো। এর বাইরে কেউ পেত না। এমনই আশীবার্দপুষ্ট হচ্ছেন অভিনেত্রী শমী কায়সার ও মৃণাল কান্তি দাসসহ কয়েকজন।
গত ১৫ বছর ধরে শাহজালালে ধানসিঁড়ি নামে লাউঞ্জটি শমী কায়সারের নামে ইজারা দেওয়া হয়। সেটি তিনি নিজে পরিচালনা না করে সিটি ব্যাংককে ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে ২ কোটি টাকা আয় করেছেন।
আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরও তার ইজারা চুক্তি নবায়ন করা হয়। আর মৃণাল কান্তি দাস গত ৪ বছর ধরে শাহজালালের সবরকম ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টে কাজ করতেন। করোনাকালে দূরত্ব বজায় রাখার জন্য শাহজালালে চৌকোনা ছক এঁকেই বাগিয়ে নেন ২ কোটি টাকা। সিভিল অ্যাভিয়েশনের বড় বড় অনুষ্ঠানে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ মৃণাল কান্তি ছাড়া কাউকে দেওয়া হতো না। এ ছাড়া বেবিচক নানাজনকে দামি সামগ্রী উপহার দিত। সেই কাজও করতেন মৃণাল কান্তি দাস।
এছাড়া শমী কায়সারের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ধানসিঁড়ি পরিচালিত ২৩৫২.৯১ বর্গফুট লাউঞ্জের (সিটি এমেক্স) ইজারা মূল্য কখনোই পূর্ণাঙ্গভাবে দেওয়া হয়নি। বিশাল অঙ্কের অনাদায়ী বকেয়া পরিশোধের জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে চূড়ান্তপত্র (সংযুক্তি) প্রদানপূর্বক সময় দেওয়া হলেও আজ অবধি প্রতিষ্ঠানটি (ধানসিঁড়ি) বকেয়া পরিশোধ করেনি। বর্তমানে প্রায় ৮০ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে।