সংবাদ সম্মেলনে শাহ আলম বলেন, এলাকার মো. কালামের সঙ্গে পারিবারিক এক বিরোধকে কেন্দ্র করে রুপা আক্তার গংদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা চলছিল। সমবায় সমিতির সদস্যরা বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে ন্যায়সঙ্গত রায় দেওয়ায় রুপা আক্তার গংরা ক্ষুব্ধ হন এবং প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে আমার ও আমার পরিবারের ওপর বিভিন্নভাবে অত্যাচার এবং হয়রানি শুরু করেন।
তিনি জানান, ২৩ জুলাই রুপা আক্তারের দায়ের করা একটি মিথ্যা অপহরণ মামলায় র্যাব-১৪ আমাকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করে। পরে জামিনে মুক্তি পেলেও তারা আবারও মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে গ্রেফতার করানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে।
শাহ আলম অভিযোগ করেন, রুপা আক্তার বহুদিন ধরে নৃত্যচর্চার আড়ালে তার বাসায় অসামাজিক কার্যকলাপ, মাদক সেবন ও দেহব্যবসার পরিবেশ গড়ে তুলেছিলেন। এতে পুরো এলাকা ভারসাম্যহীন হয়ে পড়লে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা গণস্বাক্ষর নিয়ে তাকে এলাকা থেকে বহিষ্কার করেন।
তিনি আরও বলেন, ১২ অক্টোবর রুপা আক্তার গংরা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে আমাকে হয়রানি করছে। তাদের কারণে এলাকার সাধারণ মানুষসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে শাহ আলম জানান, তার এবং রুপা আক্তার গংদের মধ্যে কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা নেই।
তবে ধারাবাহিক ষড়যন্ত্র, হুমকি ও মিথ্যা মামলার ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে পরিবারকে রক্ষা করতে এবং সত্য প্রকাশে বাধ্য হয়েই তিনি সাংবাদিকদের সামনে বিষয়টি উত্থাপন করেছেন।