দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল মৎস্যভান্ডার নামে খ্যাত বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের উপকূলের বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে এক বৃদ্ধ কৃষক পরিবারের জমি দখলের পায়তারা মরিয়া প্রভাবশালী দুই ভাই। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দলের নাম ভাঙ্গিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে বিভিন্ন মানুষকে হয়রানি করেছে। বাদ দেয়নি আপন ভাইয়ের পরিবারকে।
এ ঘটনায় ওই বৃদ্ধ কৃষক মোফাজ্জেল হোসেন বাদি হয়ে আপন বড় ভাই মোশারেফ হোসেন, ছোট ভাই কামাল হাওলাদারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারটি এখন পরিবার পরিজন নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
অভিযোগে জানাগেছে, উপজেলার খাউলিয়া ইউনিয়নের চালিতাবুনিয়া গ্রামের কৃষক মোফাজ্জেল হোসেন ৮২ শতক জমি ক্রয় করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগ দখল করে আসছেন। সম্প্রতি তার ক্রয়কৃত ওই জমিতে বসতবাড়ি পাকা ভবনের নির্মাণাধীন চলমান কাজে ঘটনারদিন বুধবার বিকেলে পরিকল্পিতভাবে তারই দুই ভাই মোশারেফ হোসেন, কামাল হাওলাদার ও তার ছেলে মিজান হাওলাদারসহ ৮/১০ জনের একটি ভাড়াটিয়া সংঘবদ্ধ দল বড় ভাই কৃষক মোফাজ্জেল হোসেনের বাড়িতে গিয়ে হামলা করে। এ সময় তার স্ত্রী পারুল বেগম বাঁধা দিলে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ধাওয়া করে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে বীর দর্পে চলে যায়। পরে ওই কৃষকের পুত্রবধূর মোবাইল ফোনে নাতি আরিয়ান ইসলাম নূরকে হত্যার হুমকি দেয় মিজান হাওলাদার। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই কৃষক পরিবার ছেলে মেয়ে পরিবার নিয়েয় আতংকে দিন কাটছে।
কৃষক মোফাজ্জেল হোসেনের স্ত্রী পারুল বেগম বলেন, দিনের বেলায় বাড়ির আশে পাসে ধারালো অস্ত্র নিয়ে কামাল হোসেন তার লোকজন ঘুরে বেড়ায়। আওয়ামী লীগের আমলেও দলের নাম ভাঙিয়ে মানুষকে অত্যাচার করছে। এখনও আমাদেরকে আতংকে রাখছে। স্বামীর ক্রয়কৃত জমি জোরপূর্বক দখলের জন্য লোকজন নিয়ে পায়তারা করছে। আমরা থানায় অভিযোগ দিয়েছি প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।
এ বিষয়ে অভিযোগের তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, চালিতাবুনিয়ায় মোজাজ্জেল হোসেনের পরিবারকে ভয়ভীতির অভিযোগটি তদন্ত করে উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে অবহিত করা হবে।