গত ২৮ আগস্ট রাতে সাঘাটা উপজেলার কামালেরপাড়া ইউনিয়নের ওসমানেরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. ফাহাদ আল আসাদ বলেন, গত ২৯ আগস্ট দুপুরে ওই তরুণী আরও দুইজন নারীর সঙ্গে হাসপাতালে আসেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তিনি জানান, ভুক্তভোগীর শরীরে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের আলামত পাওয়া গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২৭ আগস্ট সাঘাটা উপজেলার ওসমানেরপাড়া গ্রামের আশাদুল ইসলামের ছেলে আসিফ মিয়ার সঙ্গে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ভাগগরীব গ্রামের ওই তরুণীর বিয়ে হয়। বিয়ের পরের দিন রাতে তিনি বাসর ঘরেই সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন।
স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম জানান, বুধবার রাতে বিয়ে সম্পন্ন হয়, আর বৃহস্পতিবার রাতেই এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার দুপুরে অসুস্থ হয়ে পড়লে নববধূকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সাঘাটা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বলেন, “ঘটনার পর স্বামী আসিফ মিয়াসহ সাতজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তদন্ত চলছে, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”