অনেক সময় খামারিরা এক এলাকায় থেকে অন্য এলাকায় গিয়ে গোখাদ্য সংগ্রহ করেন। বেশি দামে কিনে আনেন ধানের খড় ও কুঁড়া। ফলে বিপাকে পড়ে অনেক খামারি গরু-ছাগল কম দামে বিক্রি করে দিচ্ছেন। হাসানাবাদ ইউনিয়নের খামারি মো. পারবেজ চোধুরী বলেন, আমার খামারে প্রায় ৩০টি গরু ছিল। খাদ্যের সংকটের কারণে অনেকগুলো গরু কম দামে বিক্রি করে দিয়েছি। এখন খামারে মাত্র সাতটি ষাঁড় গরু আছে।
খিলা ইউনিয়ন দাড়াচৌঁ গ্রামের গরু খামারি রফিকুজ্জামান হিরন বলেন, আমি গরুর ফার্ম করব বলে নতুন ঘর নির্মাণ করেছি। কয়েকটি ষাঁড় গরুও কিনেছি। খাদ্যের সংকটের কারণে খামারটি ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছি। গ্রামের মানুষ যারা গরু পালন করেন, তারা গরুকে সাধারণত ধানের খড়, খৈল, কুঁড়া, ভুসি খাওয়ায়। আমাদের এলাকায় বছরে একবার বোরো ধানের আবাদ হয়। ফলে গরু খাবারের সংকটে পড়েন অনেকে। ফিড ও খৈলের দাম বেশি হওয়ায় খামার চালানো আমার পক্ষে সম্ভব না।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মমিনুর রহমান বলেন, মনোহরগঞ্জ উপজেলার মানুষ বছরে একবার বন্যার কবলে পড়েন। ফলে অনেক খামারি খাদ্যের সংকটে পড়ে। উঁচু জমিতে ঘাস চাষ ও খাস জমি দেখে একটি গোচরণ ভূমি তৈরি করলে খাদ্য সংকট কমে যেতে পারে।