• শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ০৯:২৮ অপরাহ্ন
  • |
  • |
Headline :
গাইবান্ধায় বাসর ঘরে নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, স্বামীসহ আটক ৭ সাবেক ভিপি নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে ও জাপা নিষিদ্ধের দাবিতে নীলফামারীতে বিক্ষোভ শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের ১৩৮ আবির্ভাব পুণ্য স্নান মহোৎসব শুরু পাবনায় বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র শিক্ষক পেশাজীবী সংগ্রাম পরিষদ, পাবনা জেলা কমিটি গঠন আহ্বায়ক- রকিবুল, সদস্য সচিব বাপ্পী মেরুন পোশাকধারী হামলাকারীর পরিচয় প্রকাশ করলেন রাশেদ খান রংপুরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে জাপা নেতাকর্মীদের অবস্থান এবার টাঙ্গাইলে জাতীয় পার্টির অফিস ভাঙচুর মুকসুদপুরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দুই নেতার পদত্যাগ অপু বিশ্বাস সন্তান জন্মের পর চরম অর্থকষ্টে ভুগেছেন নির্বাচন ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখের আগে হবে : প্রেসসচিব

কুরবানির হাটে জাল টাকা চেনার উপায়

স্পষ্টবাদী ডেস্ক / ৫১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩ জুন, ২০২৫
জাল টাকা চেনার উপায়

আর মাত্র তিন দিন পর ঈদুল আজহা। এর ফলে কুরবানির পশু কেনার জন্য ভিড় বাড়ছে রাজধানী সহ দেশের সব এলাকার পশুর হাটগুলোতে। কুরবানির জন্য পছন্দের পশু কিনছেন সবাই সাধ্যমতো।

এক্ষেত্রে প্রায় সব বছরই প্রতারণার খবর শোনা যায়। জাল টাকা। সর্বশান্ত হোন বিক্রেতা।

বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে অসাধু ব্যবসায়ীরা বাজারে জাল টাকা ছাড়েন। বিভিন্ন জাল নোট ঘুরে বেড়ায় এক হাত থেকে অন্য হাতে। কুরবানির পশুর হাট টার্গেট করে জাল টাকা ছড়াতে সক্রিয় বিভিন্ন চক্র। তবে আপনি একটু সচেতন হলে এই বড় প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পেতে পারেন।

সাধারণত ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকা মূল্যমানের নোট বেশি জাল হয়। এক্ষেত্রে দেখতে হবে টাকায় থাকা নিরাপত্তা সুতা, রং পরিবর্তনশীল কালি, অসমতল ছাপা, জলছাপ ইত্যাদি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে।

১। ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকাসহ প্রত্যেক ধরনের নোটের সামনে ও পেছন দুদিকের ডিজাইন, মধ্যভাগের লেখা, নোটের মূল্যমান ও সাতটি সমান্তরাল সরল রেখা উঁচু নিচুভাবে মুদ্রিত থাকে। ফলে হাত দিলে একটু খসখসে মনে হয়।

২। নোটের ডান দিকে ১০০ টাকার ক্ষেত্রে তিনটি, ৫০০ টাকার ক্ষেত্রে চারটি ও এক হাজার টাকার নোটে পাঁচটি ছোট বৃত্তাকার ছাপ আছে যা হাতের স্পর্শে উঁচু নিচু লাগে। এ বৈশিষ্ট্য জালনোটে সংযোজন করা সম্ভব নয়।

৩। জাল নোটের জলছাপ অস্পষ্ট ও নিম্নমানের হয়। আসল নোটে ‘বাঘের মাথা’ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘মনোগ্রাম’ এর স্পষ্ট জলছাপ আছে। যা ভালো করে খেয়াল করলে আলোর বিপরীতে দেখা যায়।

৪। প্রত্যেক মূল্যমানের নোটেই বাংলাদেশ ব্যাংকের লোগো সম্বলিত নিরাপত্তা সুতা থাকে। নোটের মূল্যমান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের লোগো নিরাপত্তা সুতার চারটি স্থানে মুদ্রিত থাকে।

এ নিরাপত্তা সুতা অনেক মজবুত যা নোটের কাগজের সঙ্গে এমনভাবে সেঁটে দেওয়া থাকে যে নখের আঁচড়ে বা মুচড়িয়ে সুতা কোনোভাবেই উঠানো সম্ভব নয়। জাল নোটে এতো নিখুঁত ভাবে সুতাটি দিতে পারে না।

৫। ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকা মূল্যমানের প্রত্যেক প্রকার নোটের ওপরের ডানদিকে কোনায় ইংরেজি সংখ্যায় লেখা নোটের মূল্যমান রঙ পরিবর্তনশীল কালিতে মুদ্রিত থাকে।

ফলে ১০০ ও ১০০০ টাকা মূল্যমানের নোট ধীরে ধীরে নড়াচড়া করলে মূল্যমান লেখাটি সোনালি থেকে সবুজ রং ধারণ করে। একইভাবে ৫০০ লেখা লালচে থেকে সবুজাভ হয়। অন্যদিকে জাল নোটের ব্যবহৃত রঙ চকচক করলেও তা পরিবর্তিত হয় না।

৬। প্রত্যেক প্রকার টাকার নোটে প্রতিকৃতি, বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম ও নোটের মূল্যমান জলছাপ হিসেবে থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম ও নোটের মূল্যমান প্রতিকৃতির তুলনায় উজ্জ্বল দেখায়। জাল নোটে এসব বৈশিষ্ট্য থাকে না।

৭। এছাড়া স্বল্পমূল্যেও বিভিন্ন ব্রান্ডের জাল নোট শনাক্তকারী মেশিন আছে। এছাড়া ম্যাগনিফাইং গ্লাস দিয়ে জাল নোট সহজেই পরীক্ষা করা যায়। নকল নোট ম্যাগনিফাইং গ্লাস দিয়ে দেখলে শুধু একটা রেখা দেখা যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category