বুধবার (২ জুলাই) দিবাগত রাত ১টা ১৩ মিনিটে দেয়া স্ট্যাটাসে সারজিস আলম এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ট্যাগ করে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তার দাবি, সংশ্লিষ্ট এলাকায় গাড়িপ্রতি ৫০০ থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা নেয়া হচ্ছে এবং এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মদদ রয়েছে।
তিনি লেখেন, ‘আজকে (বুধবার) পাটগ্রাম উপজেলার ইউএনও সেই চাঁদাবাজদের মধ্য থেকে দুইজনকে ধরে এনে শাস্তি হিসেবে এক মাসের জেল দেয়। পরবর্তীতে বিএনপি এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকশ নেতাকর্মী এসে থানা ঘেরাও করে, ভাঙচুর করে এবং ওই চাঁদাবাজদের কে ছিনিয়ে নিয়ে যায়! জেলা পুলিশ সুপার পার্শ্ববর্তী হাতীবান্ধা থানা থেকে পুলিশের এক্সট্রা ফোর্স সহযোগিতা চাইলে হাতীবান্ধা থানার বিএনপি’র নেতাকর্মীরা সেই থানাও অবরুদ্ধ করে রাখে।’
‘এভাবে বিএনপির নেতাকর্মীরা যদি মাঠ পর্যায়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে চাঁদাবাজি লুটপাট শুরু করে কিংবা চাঁদাবাজদের প্রটেক্ট করে তাহলে দেশ সংস্কার হবে কীভাবে? স্থানীয় লোকজন বলছে সেখানকার যিনি এমপি প্রত্যাশী তার মদদে এসব হচ্ছে।’
এনসিপির এই নেতা বলেন, আমরা বিএনপির কথা কিংবা দফা দেখতে চাই না, অপকর্মের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান এবং অ্যাকশন দেখতে চাই। সেটা নিজের দলের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে হলেও।